জেনে নিন মার্কেটিং এর গুরুত্তপুর্ন কিছু টিপস

সাধারণভাবে মার্কেটিং বা বাজারজাতকরণ হলো ব্যবসায়িক কার্যাবলীর সামগ্রিক ব্যবস্থা। যার মধ্যে রয়েছে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ ক্রেতাদের অভাব বুঝে পরিতৃপ্তিমূলক পণ্য ও সেবা পরিকল্পনা মূল্য নির্ধারণ, পণ্যের প্রসার এবং বণ্টন কাজ সম্পাদন করা।

একটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, সেলকে সহজ করতে না পারলে কোনো প্রক্রিয়াকেই যথার্থ মার্কেটিং বলা যাবে না। এখন মার্কেটিংয়ের ধরন বদলেছে। বর্তমানে কোম্পানি আগে থেকে মার্কেট রিসার্চ করে ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী প্রোডাক্ট তৈরি করে। স্বাভাবিকভাবে ভোক্তার চাহিদা মেটায় আপনাকে তার সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করতে হবে।

আবার নতুন ক্রেতাও তৈরি করতে হবে। এ জন্য যা করতে হবে- আপডেট থাকুন : মার্কেটিং পেশায় সফল হওয়ার জন্য প্রধান দক্ষতা হচ্ছে প্রতিনিয়ত নিজেকে আপডেট রাখা। বিভিন্ন ধরনের অনুশীলন ও শিখনপ্রক্রিয়া চালুর মধ্য দিয়েই এ দক্ষতা অর্জন সম্ভব।

নিজেকে নিচের প্রশ্নগুলোর মাঝে প্রতিনিয়ত ব্যস্ত এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হবে-

  • ক্লায়েন্টের কাছে যাওয়ার আগে আপনি সেলস প্ল্যান তৈরি করেন কি?
  • নতুন কোনো প্রতিষ্ঠান যে কোনো নতুন মিল ও টেকনিক্যালের খোঁজখবর আপনি রাখেন?
  • প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আপনি কতটা জানেন?
  • আপনি ক্লায়েন্টের খোঁজখবর রাখেন কি?
  • আপনি আপডেট থাকেন কি?

মার্কেটিং প্ল্যান করুন :

মার্কেটিংয়ের সাহায্যে কোনো প্রোডাক্টের প্রমোশন বোঝানো হয়। পেশাদারি দুনিয়ায় ক্রেতার কথা ভেবেই তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রোডাক্ট তৈরি করা হচ্ছে। আপনার প্ল্যানকে চারটি ভাগ করুন।

প্রোডাক্ট :-

প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্ট ও প্রোডাক্ট মার্কেটিং- এ প্রোডাক্ট সম্পর্কে মানুষকে জানানো এবং এটি কিভাবে গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করতে তা ভাবা হয়। প্রোডাক্ট আরও ভালোভাবে কিভাবে তৈরি করা যায় এবং বিভিন্ন উপায়ে সেবা দেওয়া হয় সে কথা ভাবুন।

প্রাইসিং :

এ পর্যায়ে প্রোডাক্টটির দাম নির্ধারণ করুন। কতখানি ছাড় দেওয়া যায় সেই বিষয়টিও মাথায় রাখুন।

প্রমোশন :-

এ পর্যায়ে প্রোডাক্টটির বিজ্ঞাপন নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই বিজ্ঞাপন, সেলস প্রমোশন, পার্সোনাল সেলিং ইত্যাদি প্রমোশনের অন্তর্ভুক্ত।

প্লেসমেন্ট :-

মার্কেটিংয়ের শেষ পর্যায় এটি। প্রোডাক্টটি কিভাবে ক্রেতার হাতে পৌঁছাবে এ ধাপে সে বিষয়টি দেখা হয়। এ চারটি ধাপকে কাজে লাগিয়ে একজন মার্কেটিং অফিসার বা ম্যানেজার তার মার্কেটিং প্ল্যান সফল করতে পারবেন। গড়তে পারেন ক্যারিয়ার।

মার্কেটিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে- বুদ্ধিমান হতে হবে। উপস্থিত বুদ্ধি এ পেশায় সফল হওয়ার প্রধান অনুষঙ্গ।আর একজন ভালো মার্কেটিং অফিসার বা পণ্য বিক্রেতার নিচের গুন্ গুলো থাকা খুব জরুরি।

  • চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত হোন এবং এখান থেকে আনন্দ পেতে শিখুন।
  • সমস্যা সমাধান করার বিষয়টিকে সহজভাবে দেখুন।
  • উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যস্থির করুন এবং আত্মবিশ্বাসী হতে হবে।
  • নতুন ব্র্যান্ড ও প্রতিযোগিতা সম্পর্কে সজাগ থাকুন।
  • পরিশ্রমী ও উদ্যোগী হোন এবং ধৈর্যশীল হতে হবে।
  • সম্পর্ক তৈরি এবং একে রক্ষা করুন।
  • এ পেশায় রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।

​Leave a Comment

Comment authors age:




মাত্র ১০-১২ হাজার টাকায় শুরু করতে পারেন ওয়েব হোস্টিং বিজনেস

ফেইসবুকই হতে পারে আপনার বিজনেস ও মার্কেটিং এর অন্যতম মাধ্যম